You are here: Home / ফিচার / আর কিপটামো নয়, ঝাল খান ইচ্ছামত !!

আর কিপটামো নয়, ঝাল খান ইচ্ছামত !!

বিভিণ্ণ প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও পরিবহন সমস্যার কারনে প্রতিনিয়ত সবজ়ির দাম বেড়েই চলছে।তার সাথে সাথে বাড়ছে কাচাঁ মরিচের দাম। বাঙ্গালি হিসেবে আমরা ঝাল খুব পছন্দ  করি কিন্তু এভাবে চলতে থাকলে আমাদের হয়ত বা কোন একদিন ঝাল খাওয়া ছেড়ে দিতে হবে। এমতাবস্থায় আমরা যদি নিজেদের ছাদে অথবা নিজেদের বারান্দায় মরিচ গাছ লাগাই তা হলে আমরা আমাদের প্রতিদিনের মরিচের চাহিদা নিজেরাই পুরন করতে পারি।আমরা সারা বছর এই গাছ থেকে মরিচ পেতে পারি।

দেশী মরিচ

এ জন্য আপনি  চারা কিনে অথবা বিজ থেকে চারা উৎপাদন করে আপনার মরিচের বাগান করতে পারেন।আপনার নিকটস্থ নার্সারি থেকে চারা সংগ্রহ করুন। তারপর একটি ৮-১০ ইঞ্ছি টব নিন। তাতে ২ ভাগ মাটি এবং ১ ভাগ গোবর নিন। টব এ মাটি ভরাট করার আগে টবের ছিদ্রের উপর ২/৩ টুকরা ইট দিয়ে নিন। এবার মাটি এবং গোবর মিক্স করে রোদে শুকান। এতে করে আপনার মরিচ গাছে পিপড়ার আক্রমন হবে না। টবে মাটি ভরাট করুন এবং টবের মাঝ বরাবর গর্ত করে নিন এবং চারা গাছটি লাগান। আর আপনি যদি বীজ থেকে চারা উৎপাদন করতে চান সেক্ষেত্রে আপনি ভাল মানের বীজ সংগ্রহ করুন। এবার বীজ গুলোকে ৩০ ঘন্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। এবার ভিজেয়ে রাখা বিজ গুলকে আপনার টবের মাটির উপর ছিটিয়ে দিন।  মরিচ গাছের বীজ় থেকে চারা গজাতে বেশ কিছুদিন সময় লাগে। ধৈয ধরে কিছুদিন অপেক্ষা করুন। কিছুদিন পরে দেখবেন বীজ় থেকে নতুন নতুন কুঁড়ি বেরুচ্ছে। ৮/১০ দিন পর একটি চারা রেখে বাকি চারা গুলোকে আলাদা করে ফেলুন। গাছের সতেজতার জন্য আপনি ইউরিয়া সার দিতে পারেন। দেড় লিটার পানিতে এক চামচ ইউরিয়া দিয়ে গাছের গোড়ায় স্প্রে করুন। এতে ভাল ফল পাবেন। ফুল আসা শুরু করলে হরমোন স্প্রে করতে পারেন। এতে ফুল ঝরা কমে যাবে। একটি বাঁশ দিয়ে গাছ টিকে বেঁধে রাখতে পারেন।

বোম্বাই মরিচ

এবার মাঝে মাঝে গাছে পানি দিন। প্রয়োজন অনুসারে গাছে সার দিন। পোকার আক্রমন হলে কিটনাশক দিতে পারেন।

চারা গাছের ক্ষেত্রে আপনি এক মাস পরেই ফল পাবেন। কিন্তু বীজ আর চারার ক্ষেত্রে ৩-৪ মাস পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে। সবুরে মেওয়া যদি নাও ফলে, মরিচ ইনশাল্লাহ গাছে ধরবেই। অতএব আর দেরি না করে আজই শুরু করে দিন কাঁচামরিচের চাষ আর বাড়তি টাকায় পূরণ করুন দীর্ঘ দিনের পুরনো কোনও শখ।

Leave a Reply

Scroll To Top