You are here: Home / পেট / বাজরিগার ব্রিডিং ফ্যাক্টরঃ পর্ব ২ ( শেষ পর্ব)

বাজরিগার ব্রিডিং ফ্যাক্টরঃ পর্ব ২ ( শেষ পর্ব)

বাজরিগার ব্রিডিং

পরবর্তী অংশ

৯/ পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক আলো-বাতাসঃ বদ্ধ/স্যাঁতস্যাঁতে পরিবেশ বাজরিগার এর জন্য ভালো না। তাদের ব্রিডিং এর জন্য চাই পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক আলো বাতাস।

 

১০/ পুষ্টিকর খাবারঃ শুধু কাউন আর চিনা খাওয়ালে বাজরিগার তার প্রয়োজনীয় সব পুষ্টি উপকরণ পায় না। চিনা, কাউনের সাথে পোলাও ধান , গুজি তিল , সূর্যমুখী , ক্যানারি (স্বল্প পরিমানে) মিশিয়ে দিতে হবে । এছাড়া সপ্তাহে ২-৩ দিন বিভিন্ন সফট ফুড যেমন এগফুড, পাউরুটি ভেজা , ভুটটা/গম সিদ্ধ , বরবটি , কলমি শাক, ধনেপাতা খেতে দিতে  হবে।

 

১১/ নিরাপদ বাসস্থানঃ ব্রিডিং এর জন্য পাখির নিরাপদ পরিবেশ খুবই প্রয়োজনীয়। বাজি তখনি ব্রিড করতে আগ্রহ প্রকাশ করবে যখন সে বুঝবে তার খাঁচার আশপাশের পরিবেশ তার জন্য নিরাপদ। আপনার বাজি ইঁদুর, টিকটিকি , মানুষের চলাচল বা অন্য কোন কারণে ভয় পাচ্ছে নাকি দেখুন। ডিম/বাচ্চা হয়েছে নাকি ঘন ঘন চেক করবেন না। ওদের প্রাইভেসি নিশ্চিত করুন।ব্রিডিং খাঁচা অহেতুক নাড়াচাড়া করবেন না।

 

১২/ আবহাওয়াঃ অতিরিক্ত গরম বা ঠাণ্ডায় বাজি কাবু হয়ে যায়। তখন সে ব্রিড করতে চায় না। গরমের দিনে দুপুরবেলা পাখিকে অল্প পরিমাণে পানি স্প্রে করে দিন ।শীতকালে অবশ্যই ঠাণ্ডা বাতাস আটকাতে হবে এবং লাইট জ্বালিয়ে তাপমাত্রা ২৬ ডিগ্রির উপর রাখতে হবে ।

 

১৩/ প্রয়োজনীয় ভিটামিনঃ পাখির শরীরে অতিরিক্ত ভিটামিন সরবরাহের জন্য তাদেরকে বিভিন্ন মালটি ভিটামিন যেমন মেক্সিফোরট/হিপ্রাচক এমাইনো/ভিটা রেড খাওয়াতে হয় পানির সাথে। এতে তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বারে এবং তারা প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। এছাড়া তাদের শরীরে ভিটামিন ই এর অভাব মেটাতে ই সেলেনিয়াম প্লাস খাওয়াতে হবে পানির সাথে।

 

১৪/ ক্যালসিয়াম ও মিনারেলঃ ডিম পাড়ার জন্য পাখির শরীরে যথেষ্ট মিনারেল ও ক্যালসিয়াম এর প্রয়োজন। ফিমেল তার হাড় থেকে ক্যালসিয়াম ক্ষয় করে ডিম পাড়ে। তাই ব্রিডে দেয়ার আগে অবশ্যই খাঁচায় ক্যালসিয়াম ও মিনারেলের উৎস রাখতে হবে।

 

১৫/ বিশ্রামঃ ঘন ঘন ব্রিডিং করানো ঠিক না।বাজিকে অবশ্যই প্রতিবার ব্রিড করানোর পর অন্তত ২০ দিন থেকে ১ মাস বিশ্রাম দিতে হবে । অতিরিক্ত ব্রিড করালে বাজি ব্রিডিং এর উপর আগ্রহ হারিয়ে ফেলে এবং তাদের প্রজননশক্তি কমে যায় ।

 

১৬/ চর্বিঃ অনেক সময়ে বাজির শরীরে অতিরিক্ত চর্বি জমার কারণে ব্রিড করে না। এরকম হলে তাদেরকে এক নাগাড়ে ৩ দিন নিমপাতা খাওয়াতে হবে এবং ফ্লাইট কেজে উড়তে দিতে হবে। চর্বি কমে যাওয়ার পর ব্রিড করানো যাবে।

 

১৭/ ধৈর্যঃ সবশেষ কিন্তু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল ধৈর্য। বাজি ব্রিড না করলে অবশ্যই ধৈর্য ধারণ করতে হবে । কারণ তারা নিজেদের মর্জিতে ব্রিড করে। যারা নতুন পাখি পালেন তাদের ধৈর্যের অভাব থাকে। কিন্তু যারা অনেক দিন ধরে পালেন তারা ব্রিড নিয়ে তেমন টেনশন করেন না।

 

By Enigmatic Pendulum

Leave a Reply

Scroll To Top