You are here: Home / উপহার / প্রিয় মানুষের জন্য উপহার

প্রিয় মানুষের জন্য উপহার

ভালোবাসার মানুষ হতে পারে যে কেউ। তাই এ দিনটিতে তাদেরকে উপহার দিন নিজের মনের মতো। লিখেছেন মোকাররম মোল্লা, দিবসটির নাম যেহেতু ভালোবাসা দিবস, সেহেতু একজন আরেকজনকে অর্থাৎ কোনো ব্যক্তি তার সবচেয়ে কাছের ভালোবাসার মানুষটিকে প্রাণভরে মনের মাধুরী দিয়ে একান্ত নিজের মতো করে ভালোবাসবে। ভালোবাসা জানাবে তার প্রিয় মানুষটিকে। উদ্দেশ্য, তার ভালোবাসার মানুষকে খুশি করে হৃদয়ে আরও বেশি স্থান দিয়ে তাকে যেন আরও বেশি বেশি ভালোবাসুক। দিবসটির সূচনালগ্নের দিকে দৃষ্টি দিলে এটি যে মূলত প্রেমিক-প্রেমিকা থেকে এসেছে তা খুব সহজেই অনুধাবন করা যায়। তবে, তা ছিল প্রায় ১৭শ’ বছর আগে।

উপহারবর্তমানে ভালোবাসা দিবসটি শুধু প্রেমিক-প্রেমিকার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এটি বর্তমানে বিভিন্ন ভালোবাসার মানুষের কাছে সমমানের। যেমন_ সন্তানের সঙ্গে মা-বাবার ভালোবাসা, বন্ধুর সঙ্গে বন্ধু, ভাইয়ের সঙ্গে বোন, স্বামীর সঙ্গে স্ত্রী, শিক্ষকের সঙ্গে তার প্রিয় শিক্ষার্থীর। এই দিনে নিজেকে প্রিয় মানুষের জন্য উৎসর্গ করবে, বিলিয়ে দেবে একে অপরকে। সারাদিন হাসি, আনন্দের সঙ্গে কাটিয়ে দেবে। শুধু কী হাসি-আনন্দ আর প্রিয়জনকে সঙ্গে নিয়ে বিনোদন করেই দিনটি পালন করবেন? না-কি বিশেষ দিনে প্রিয়জনকে বিশেষ কিছু উপহার দিয়ে দিনটিকে আরও স্মরণীয় করে রাখবেন। অবশ্যই সবার মতো আপনি মনে মনে চিন্তা করছেন ভালোবাসার প্রিয় মানুষটিকে কী উপহার দিয়ে স্মরণীয় রাখা যায়? শৈলী আপনার কাজটি আরও সহজ করতে উদ্যোগ নিয়েছে। কাকে কী উপহার দেওয়া যায় শৈলী থেকে তা সহজেই জানতে পারেন। প্রেমিক- প্রেমিকার ক্ষেত্রে আপনি একটি মেয়েকে ভালোবাসেন। মেয়েটিও আপনাকে ভালোবাসে। কিন্তু একে অপরকে মুখ খুলে কিছু বলতে পারছেন না।

উপহার

আবার হয়তো আপনাদের ভালোবাসা শুরু হয়েছে বেশিদিন হয়নি। দু’জন ভালোবাসার কথা প্রকাশ করেছেন। এটিই আপনার প্রেমজীবনের প্রথম বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। এমন পরিস্থিতিতে দিবসটিকে লক্ষ্য রেখে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের তৈরি বিভিন্ন কার্ড উপহার দিতে পারেন। যেখানে লেখা থাকতে পারে ভালোবাসার বিভিন্ন উক্তি, যা ইংরেজি-বাংলা যে কোনো ভাষায় হতে পারে। আর যদি আপনার ঠোঁটের লিপস্টিক দিয়ে ওই কার্ডে আপনার চুমুর ঠোঁটের ছাপ যুক্ত করে দিতে পারেন তা হলে তো সোনায় সোহাগা। আর প্রেমিকরা দিতে পারেন নাকফুল, হাতের রিং অথবা আপনার প্রেমিকার প্রিয় কোনো জিনিস। যে প্রিয় জিনিসটি শুধু আপনিই জানেন। মা-বাবা ও সন্তানের ক্ষেত্রে মা-বাবাকে আপনি যদি ভালোবাসা দিবসে কিছু উপহার দিয়ে দিনটি স্মরণীয় করতে চান তাহলে প্রথমেই আপনাকে বুঝতে হবে আপনার বাবা-মায়ের পছন্দের তালিকায় কি রয়েছে বা কি করলে আপনার বাবা-মা আপনাকে আরও বেশি ভালোবাসবে। তার মধ্য থেকে যেটি আপনার সামর্থ্যের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভালো লাগবে সেই উপহারটিই আপনি নির্বাচন করতে পারেন। তাছাড়া আপনার পিতা-মাতা যদি বই পড়তে ভালোবাসে তাহলে বইমেলা থেকে ভালো কোনো লেখকের ভালো কোনো বইও উপহার দিতে পারেন। আবার বিভিন্ন মার্কেট থেকে বিভিন্ন জামা-কাপড়ও কিন্তু উপহার হিসেবে দিতে পারেন। আর মা-বাবারা সন্তানদের দিতে পারেন বিভিন্ন উপহার।

উপহার

আপনার সন্তানটি শিশু হলে দিতে পারেন বিভিন্ন খেলনা জাতীয় উপহার। স্বামী-স্ত্রীদের জন্য বিশ্ব ভালোবাসা দিবসে স্বামী-স্ত্রী একে অপরের প্রতি ভালোবাসার নিদর্শন হিসেবে কিছু উপহার দিতে পারেন। আপনি বাড়ি ফেরার সময় আপনার স্ত্রীর পছন্দের ফুল নিতে পারেন। তাছাড়া, পছন্দের শাড়ি, গহনা বা সামর্থ্যনুযায়ী অন্য কোনো উপহার। আবার স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে বাইরে কোথাও ঘুরে আসতে পারেন। আর স্ত্রীরা স্বামীদের দিতে পারেন ঘড়ি, ব্রেসলেট, ভালো ব্র্যান্ডের শার্ট, কোনো পছন্দের গান বা নাটকের সিডি জাতীয় কোনো পণ্য।

উপহার

শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রে আপনি একজন শিক্ষক বা অধ্যাপক। আপনি অবশ্যই আপনার কোনো না কোনো শিক্ষার্থীকে ভালোবাসেন। তার ভালো চান। আপনার যদি কোনো ভালোবাসার শিক্ষার্থী থাকে, তাহলে তাকে আপনি শুভেচ্ছা জানাতে পারেন। আপনি ভালোবাসা দিবসে তাকে দিতে পারেন কোনো বই, গাইড বা সাজেশন, যা আপনার ভালোবাসার শিক্ষার্থীর কোনো কাজে লাগবে। শিক্ষার্থীরা আপনার পছন্দের শিক্ষককে দিতে পারেন ডায়েরি, ফাউন্টেন পেন বা অন্য কোনো উপহার। উপহার যা-ই হোক। কোনো না কোনোভাবে প্রত্যেকেই চান তাদের ভালোবাসার মানুষকে নিয়ে দিনটি স্মরণীয় করে রাখতে। তাছাড়া, বর্তমান অত্যাধুনিক যান্ত্রিক যুগে ফেসবুক, টুইটার, ব্লগ বা মোবাইলের ম্যাসেজের মাধ্যমে শুভেচ্ছা জানানোর অপশন তো রয়েই গেল।

উপহার

যে যেভাবেই শুভেচ্ছা জানান না কেন, বিশ্ব ভালোবাসা দিবস আনন্দের সঙ্গে কাটুক, স্মরণীয় হয়ে থাক আগামীকালের বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। এই কামনায় সবাইকে শৈলীর পক্ষ থেকে বিশ্ব ভালোবাসা দিবসের অগ্রিম শুভেচ্ছা।

Leave a Reply

Scroll To Top