You are here: Home / পেট / শীতকাল আসছে!! সঠিকভাবে পাখির যত্ন নিচ্ছেন তো?

শীতকাল আসছে!! সঠিকভাবে পাখির যত্ন নিচ্ছেন তো?

পাখির যত্ন

প্রথমেই বলে দিচ্ছি এটি একটি আলোচনামূলক পোস্ট। আলোচনার মাধ্যমে বিস্তারিত আপনাদের বলার চেস্টা করেছি। সম্পূর্ণ পোস্ট না পড়লে লাভ নেই। এখানে কেন কি করতে বলেছি বিস্তারিত লিখেছি। এরপরেও কোন প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করবেন। 

অনেকেই পাখি নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছেন যে শীতকালে পাখিদের কিভাবে যত্ন নিবে। অতিরিক্ত কি করতে হবে যা থেকে পাখিদের সুস্থ রাখা যায়।

গত শীতে আমার কোন পাখি মারা যায় নাই। কিছু পাখি সামান্য অসুস্থ হয়েছিল সেটা তাপমাত্রা বাড়ার সাথে সাথে ঠিক হয়ে গেছে। তাহলে আমি কিভাবে আমার পাখিদের সুস্থ রেখেছি?

আমরা যে পাখি পালি এরা কিন্তু বনে ও বাস করে। বন্য পাখি গুলো শীতকালে কিভাবে বেচে থাকে? তাদের তো কোন সাপ্লিমেন্ট খাওয়ানো হয়না, সেটা নিয়ে আগে একটু চিন্তা করা যাক।

যখন তাপমাত্রা স্বাভাবিক এর চেয়ে ৪-৬ ডিগ্রী সেলসিয়াস পর্যন্ত নিচে নেমে যায় এটা খুব সহজেই পাখিরা নিজেদের সাথে মানিয়ে নিতে পারে। কিভাবে?

পাখিদের পালক ফুলিয়ে রেখে পালক ফুলিয়ে সেখানে কিছু বাতাস জমিয়ে রাখে যা শরীরের তাপে গরম হয়ে পাখিকে গরম রাখে। এটা দেখে অনেকেই মনে করতে পারেন অসুস্থ পাখি গা ফুলিয়ে রেখেছে। কিন্তু না। শীতকালে তারা চুপচাপ গা ফুলিয়ে বসে থাকে নিজেদের শরীর গরম রাখার জন্য। আবার অসুস্থ হলেও গা ফুলিয়ে রাখে সুতরাং দুপুরের দিকে যখন তাপমাত্রা অপেক্ষাকৃত দিন বা রাতের অন্য সময়ের চেয়ে বেশি থাকে তখন আপনি পাখি গুলো পরীক্ষা করে দেখবেন যে সত্যিই কোন পাখি অসুস্থ কি না।

খাবার দিয়ে পাখিরা খাবার খেয়েও নিজেদের শরীর গরম রাখতে পারে। শীতকালে এরা নিজেদের শরীর এর ফ্যাট কিছুটা বাড়িয়ে নেয় নিজেদের ঠাণ্ডা থেকে দূরে রাখার জন্য। গরম কালে অবশ্য সেটা কমে যায়। সুতরাং আপনাকে পাখিদের এই ব্যপারে সাহায্য করতে হবে। এমন খাবার দিতে হবে যেটা সত্যিই তাদের শরীর গরম রাখতে সাহায্য করে এবং ফ্যাট বাড়াতে। এক্ষেত্রে মধু খুব কাজ করে। আমি আমার পাখিদের খাবার পানিতে মধু মিশিয়ে দেই যখন বেশি ঠাণ্ডা পড়ে তখন মধুর পরিমান বাড়িয়ে দেই কিন্তু শীতকালে বা বেশি ঠাণ্ডা পরলে পাখিরা বেশি পানি খায় না। তো কি করা যায়? সিডমিক্সে গুজিতিল বা যেসব সিড এ ফ্যাট বা তেল এর পরিমান বেশি এর পরিমান বাড়িয়ে দেয়া যেতে পারে। যেসব পাখি এগফুড পছন্দ করে তাদের এগফুড খেতে দিতে পারেন সপ্তাহে ৩/৪ দিন।

একসাথে বসে থেকে শীতকালে বেশ কয়েকটি পাখি একসাথে রাখলে দেখা যাবে তারা পাশাপাশি বসে আছে শরীর লাগিয়ে। এভাবে তারা নিজেদের গরম রাখতে সাহায্য করে। সুতরাং বেশি শীত পড়লে চেস্টা করবেন একটি খাচায় ৪ টি করে পাখি রাখতে অন্তত। বেশি শীতের সময়ে ব্রীড না করানই ভালো।

এছাড়া আরও নানা ভাবে তারা নিজেদের গরম রাখে।

পাখিরা নিজেদের গরম রাখতে পারে আর আমরা সেখানে তাদের সাহায্য করতে পারি প্রয়োজনীয় জিনিস পত্র দিয়ে । যদি কেউ এমন স্থানে পাখি পালেন যেখানে শীতকালে বাইরে থেকে সরাসরি বাতাস এসে লাগে। তাহলে সেই বাতাস আসা বন্ধ করতে হবে। সাধারণত বাতাস এক পাশ থেকে আশে। যদি আপনার পাখির খাচায় বাতাশ লাগার সম্ভাবনা থাকে তাহলে একটি পাতলা প্লাস্টিক এর পর্দা দিয়ে খাচার ওই পাশ ঢেকে ফেলতে পারেন।যদি খাচা এমন স্থানে থাকে যেখানে সহজে ঠাণ্ডা লাগে যেমন বারান্দায় বা জানালার কাছে তাহলে খাচা গুলকে অন্যস্থানে নিয়ে রাখেন সম্ভব হলে যেখানে আবহাওয়া কম ঠাণ্ডা হবে বা তাপমাত্রার পরিবর্তন ধীরে হয়। অনেকেই মোটা কাপর বা কম্বল জাতীয় কিছু ব্যবহার করতে চান করেন। কিন্তু এইরকম কিছু ব্যবহার করলে সমস্যা বারবে। কম্বল বা মোটা কাপড় যখন আমরা শরীর এ রাখি তখন প্রথমে আমাদের শরীর এর তাপ দিয়ে কম্বল গরম হয় তারপর সেই তাপ দিয়েই আমাদের গরম রাখে। কিন্তু পাখির খাচা যদি কম্বল দিয়ে ঢাকেন তাহলে সেই কম্বল কে গরম রাখবে? বরং বাইরের ঠাণ্ডা জমা হবে কম্বলে যা পাখিদের আরও সমস্যায় ফেলবে।

অনেকেই একটা বড় ধরনের ভুল করে থাকেন আর সেটি হচ্ছে এন্টিবায়োটিক ঔষধ এর কোর্স করান! এটা কি ধরনের কথা? এন্টিবায়োটিক ঔষধ হচ্ছে এমন ঔষধ যা কোন রোগ এর মধ্যম বা শেষ পর্যায়ে ব্যবহার করা হয়ে থাকে এমনকি রোগের শুরুতেও না তাহলে কিভাবে আপনি রোগ হয়ার আগে সেই ঔষধ খাওয়াচ্ছেন? এভাবে আন্দাজে ঔষধ খাওয়ানর ফলে পাখি দুর্বল হয়ে যাবে। শীতকালে পাখি দুর্বল হয়ে যাওয়ার মানেই হচ্ছে মৃত্যু অনেক কাছাকাছি পাখিটির। কারন এন্টিবায়োটিক দেয়ার ফলে পাখি যখন দুর্বল হয়ে যাবে তখন স্বাভাবিক ভাবেই সে আর শীতের সাথে যুদ্ধ করতে পারবেনা। আর আপনিও তাকে বেশি সাহায্য করতে পারবেন না। এন্টিবায়োটিক এভাবে রোগ হওয়ার আগে দেয়ার সবচেয়ে মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে ওই ঔষধ আর পরবর্তী সময়ে কাজ না করা। অনেকেই বলেন অসুস্থ পাখিকে ঔষধ দিলেও কাজ হয় না। হবেই তো না কারন ঔষধ এর এন্টিবডি আগেই তৈরি হয়ে গেছে। যারা অসুস্থ হওয়ার আগেই ঔষধ খাওয়াইসেন তাদের পাখি অসুস্থ হলে ঔষধ কাজ করবেনা।  সুতরাং শীত কেন কোন কালেই এমন করা যাবেনা। আর শুধু এন্টিবায়োটিক কেন ইদানিং আমাদের দেশে অনেক ধরনের নতুন এক্সপারট এবং তাদের ঔষধ বের হয়েছে এইসব থেকেই পাখিদের দূরে রাখবেন যেহেতু আপনি নিজেও পাখির ডাক্তার না আর যদি কখনো পাখির ডাক্তারের কাছে না জেয়ে থাকেন তাহলে আপনিও বুঝবেন না যে পাখিদের যা খাওয়াচ্ছেন বা খাওয়াতে বলা হচ্ছে তা কি ঠিক কি না।

কিন্তু পাখি অসুস্থ হয়ে গেলে কি করবেন?
পাখি তো যে কোন সময়ই অসুস্থ হয়ে যেতে পারে। শীতকালেও হবে। কিন্তু শীতকালে পাখিরা আগে থেকেই একটু দুর্বল হয়ে যায় সুতরাং রোগ হলেও একটু আলাদা ভাবে পাখির যত্ন নিতে হবে। প্রথমেই কোন পাখি অসুস্থ হয়ে পড়লে বা অসুস্থতার কোন লক্ষন দেখা দিলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আলাদা খাচায় রাখবেন। আর ক্রিত্তিম তাপভাবে তাপ দেয়ার ব্যবস্থা করবেন। কিন্তু কখনই এমন ভাবে তাপ দিবেন না যেন ওই সময়ের স্বাভাবিক তাপমাত্রার চেয়ে ৪-৫ ডিগ্রীর মধ্যেই থাকে। এর চেয়ে বেশি হলে পাখির উপর হটাত তাপমাত্রা পরিবর্তনের প্রভাব পরবে এমনকি পাখি আরও বেশি অসুস্থ হয়ে পড়বে। ২০ ওয়াট এর বাল্ব ব্যবহার করতে পারেন দিনের বেলা সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পাখিকে তাপ দেয়ার জন্য। আর পাখির খাচায় একটি থার্মোমিটার আধা ঘন্টা রেখে দেখবেন যে তাপমাত্রা কেমন পরিবর্তিত হচ্ছে খাচায়। কারন আমি আগেই বলেছি তাপ বেশি বাড়ানো যাবেনা। যদি ৪/৫ ডিগ্রীর বেশি বেড়ে যায় তাহলে বাল্বটি একটু দূরে সরিয়ে রেখে দিবেন। কাজটি প্রথম বার একটু কঠিন হবে কিন্ত একবার করে ফেলতে পারলে আর ঝামেলা নেই। আচ্ছা দিনের বেলায় বাল্ব জালিয়ে তাপ দিলেন তাহলে রাতের বেলা কিভাবে তাপ দিবেন?
এক্ষেত্রে আপনি বাল্ব ব্যবহার করতে পারেন কিন্তু বাল্বএর আলো বন্ধ রাখতে হবে। কারন পাখিদের ঘুমাতে দিতে হবে। ঠিকমত ঘুমাতে না পারলে সুস্থ পাখিই অসুস্থ হয়ে যাবে আর অসুস্থ পাখির কি হবে আপনি চিন্তা করেন। যদি বাল্ব ব্যবহার করেন রাতের বেলা তাহলে বাল্বটিকে খাচা থেকে দূরে রাখতে হবে আর খাচাটিকে কালো কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখতে হবে। যেন আলো খাচায় না প্রবেশ করে। ৪০ ওয়াট এর কয়েল দিয়ে ছোট হিটার বানানো যায়। অনেক ইলেক্ট্রিশিয়ান এটা বানাতে পারেন আপনার বাসার আশে পাশে ইলেক্ট্রিশিয়ানদের এই ব্যাপারে কথা বলতে পারেন। যদি এই হিটার ম্যনেজ করতে পারেন তাহলে সবচেয়ে ভালো হয়। যদি অসুস্থতা প্রাথমিক মাত্রার হয়ে থাকে তাহলে কয়েকজন ভেট এর নাম্বার দেয়া আছে গ্রুপ এর আরেকটি ডকুমেন্ট এ তাদের সাথে কল দিয়ে কথা বলতে পারেন। তারা ফ্রী প্রেস্ক্রাইব করবে আপনাকে। কিন্তু অসুস্থতা যদি মারাত্মক হয় তাহলে তাদের কাছে নিয়ে যাবেন যত তাড়াতাড়ি সম্ভব। অনেক আন্দাজে ঔষধ, ভিনেগার তো খাওয়াইসেন পাখিদের। কয়টা পাখিকে বাচাতে পারছেন?

হটাত করে অতিরিক্ত তাপমাত্রা কমে গেলে? 
আমি আগেই বলেছি পাখিরা ৪-৫ ডিগ্রী তাপমাত্রা কমে গেলে নিজেদের সাথে মানিয়ে নিতে পারে কিন্তু হটাত করে এক দিনের মধ্যে জদি ৭-১০ ডিগ্রী তাপমাত্রা কমে যায় তাহলে কি করবেন? মনে করেন হেমন্ত কালে আপনার এভায়েরির তাপমাত্রা থাকে ২৯/৩০ ডিগ্রী সেলসিয়াস। শীতকালে আসবে এবং তাপমাত্রা সময়ের সাথে সাথে কমতে থাকবে। কিন্তু যদি এমন হয় আজকে তাপমাত্রা ২৯ ডিগ্রী সেলসিয়াস সেটা কালকে হয়ে গেল ২১ ডিগ্রী সেলসিয়াস। এত বড় ব্যবধান পাখিরা সহ্য নাও করতে পারে এখানে আপনার সাহায্যের দরকার হবে। দিনের বেলা সব খাচায় ২০/২৫ ওয়াট এর বাল্ব আর রাতে হিটার বা আলো ছাড়া বাল্ব এর ব্যবস্থা করবেন। কয়েকদিন পর অবশ্য বাল্ব সরিয়ে নিবেন। কারন তাদের প্রাকৃতিক ভাবে আবহাওয়ার সাথে খাপ খাইয়ে নেয়ার সুযোগ দিতে হবে।

 

দিনের বেলা রোদ এর সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করবেন। কিন্তু সম্পূর্ণ খাচা রোদে না রেখে একটু রোদ এর বাইরে রাখবেন যেন ওরা চাইলেই রোদ এর বাইরে চলে যেতে পারে।

এখানে শীত থেকে বাচার জন্য যে কাজ গুলো করতে বললাম সব গুলো পরীক্ষিত। ২০১৩ সালের শীতে আমারএকটি পাখিও মারা যায় নাই। আমি আগেও একবার বলেছি। কিন্তু এর আগের শীতগুলোতে অর্থাৎ২০১০-২০১২ প্রত্যেকবার বেশ কয়েকটি করে পাখি মারা যেত কারন আমিও এন্টিবায়োটিক কোর্স করাতাম, সারারাত পাখিদের খাচায় বাল্ব জালিয়ে রাখতাম তারা ঠিকমত ঘুমাতে পারত না, আমি মাল্টিভিটামিন ও খাওয়াতাম কারন আমাকে অনেকেই বলেছিল মাল্টিভিটামিন শরীরে তাপ বাড়াতে সাহায্য করে কিন্তু আসলে এইসবই ভুল প্রমানিত হয়েছে। 

 

পাখিদের শরীর শীতকালে যেন টিকে থাকতে পারে এমন ভাবেই বানানো হয়েছে। শুধু আপনি একটু সাহায্য করলেই তারা সুস্থ ভাবে বেচে থাকতে পারবে। বন্য পরিবেশে আরও বেশি শীতের সাথে লড়াই করে তারা বেচে থাকে আর এভায়েরিতে তো তেমন শীত থাকেনা যদিও আমাদের পাখি গুলো ও বন্য না। তাই এভায়েরির পাখি গুলোর আমাদের সাহায্য দরকার। আবার অনেকেই বলতে পারেন আমাদের পাখি যেহেতু বন্য না সেহেতু এইভাবে কাজ হবেনা। তাদের বলছি আমাদের পাখি বন্য না তাতে কি হয়েছে তাদের পালক আর জীন কি বনে ফেলে দিয়ে আসছে? নাকি এভায়েরিতে আসার পর তাদের জীন আপনি পরিবর্তন করে দিয়েছেন?

ভালো থাকেন আপনি ভালো রাখেন আপনার পাখিকে।

আর্টিকেল লিখেছেনঃ সাব্বির মাহমুদ (স্বাধীন)

টিপসঃ

আপনি জানেন কি?
ভিটামিন-এ অভাবে পাখির ঠাণ্ডা লাগে ।
তাহলে আপনার পাখিকে ভিটামিন -এ যুক্ত খাবার দিন ,
কি কি খাবারে ভিটামিন – এ আছে?
ব্রকলি ,গাজর ,ডিম ,ভুট্টা …
তাহলে আপনার পাখিকে ঠাণ্ডা থেকে বাঁচাতে ভিটামিন – এ যুক্ত খাবার দিন ।

টিপস দিয়েছেনঃ  Sultan Babu (সম্পাদক বাজরিগার সোসাইটি অব বাংলাদেশ )

পাখির যত্ন

আশা করি পড়বেন……………
শীত মোটামুটি ভালোই পড়ে গেছে । তাই আমাদের একটু সতর্ক থাকতে হবে । প্রতিদিন অন্তত দুইবার(একবার সকালে+একবার রাতে)পাখির খাঁচাগুলো ভালো করে পর্যবেক্ষন করতে হবে । কোন পাখির আচরন অস্বাভাবিক হলে সাথে সাথেই তার প্রতিকারের ব্যবস্থা নিতে হবে ।সেই পাখিটিকে সাথে সাথে আলাদা খাঁচায় নিয়ে যেতে হবে।সহনীয় তাপমাত্রার ব্যবস্থা করতে হবে ।কুসুম গরম পানি খেতে দিতে হবে(বিশুদ্ধ হতে হবে)।পাখি অসুস্থ হলে ঘাবড়াবেন না। কীভাবে সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন তার ব্যবস্থা করবেন।
মনে রাখতে হবে যে, পাখির অসুস্থতা যত তাড়াতাড়ি নির্নয় করা যাবে, তাকে বাঁচানোর সুযোগ তত বেশি থাকবে । সময় মতো পদক্ষেপ না নিতে পারলে পাখিটিকে বাঁচানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়বে ।
ধন্যবাদ সবাইকে ।

টিপস দিয়েছেনঃ Rubel Khan 

 

Leave a Reply

Scroll To Top