You are here: Home / পেট / চৌম্বক পানি বা বিস্ময় জল (Magnetic Water)

চৌম্বক পানি বা বিস্ময় জল (Magnetic Water)

চৌম্বক পানি

পাখি পৃথিবীর চৌম্বক লাইন বা বল অনুসরণ করে তাদের ডিম ছাড়ার কারণে নীড়ে ফিরে আসতে সক্ষম হয়,অনুরূপ ফলাফল মাছ, পোকামাকড় , মৌমাছি, চৌম্বক অর্থে তারা নির্দিষ্ট “চৌম্বকীয় অবস্থানের” উপর নির্ভর করে। মানুষও এর ব্যাতিক্রম না।

জল হল একটি উপচুম্বকীয়। যার অর্থ চৌম্বকীয় বল বা শক্তি। আমাদের শরীর প্রাকৃতিক ভাবে চুম্বকীয় হয় পৃথিবীর চৌম্বকীয় বল এর কারণে। আমাদের শরীরের ৭০% জল। আর তাই আমাদের শরীরের প্রতিটি কোষ জলের উপর নির্ভর করে। আর চৌম্বক শক্তি জৈব চুম্বকীয় জল দ্বারা আমাদের শরীরের প্রতিটি কোষে প্রয়োজনীয় পানি পরিবাহিত হয়।

মার্কিন ডাঃ Dr W.H. Philpott of Oklahoma বলেছেন ” ফ্লুম হামারী সময় চৌম্বক জল প্রতিরোধ বা উপসর্গের চিকিৎসার জন্য প্রতি ৪ ঘন্টা পরপর ব্যাবহার করে উপকার পাওয়া যায়।” অনেক বিশেষজ্ঞ গন এর উপর অনেক পরীক্ষা ও বই লিখেছেন। বাংলাদেশে সম্মানিত ও বিখ্যাত Quantum Method Meditation এর আবিস্কারক মহাজাতক এর লেখা একটা বই অনেক আগেই বের হয়েছে এতে চুম্বকীয় গুণাবলি নিয়ে অনেক কিছু লিখা হয়েছে।

পরীক্ষায় দেখা গেছে চৌম্বক পানি ব্যাবহারের ফলে পাখি ও কবুতরের শারীরিক ভাবে বড় হয়েছে ও অন্যান্য প্রাণীর ডিম পাড়ার ক্ষমতা বেড়ে গেছে ও দীর্ঘসময় এটা কার্যকর ছিল। আর নাটকীয়ভাবে এদের মৃত্যুর হার কমে গেছে কম খাবার দেবার পরও ! এটা শুধু প্রাণীই নয় গাছ পালার উপর ও ভালো ক্রিয়া করে। নিন্মে চুম্বকীয় জলের কিছু সুবিধা সমূহ তুলে ধরা হল:

• পানির স্বাদ বাড়ায় ও আরো স্বচ্ছ করে।
• শরীরের অম্লতা হ্রাস করা যায় এবং আরো একটি ক্ষারীয় কার্যকর হাইড্রোজেন এর মাত্রা উন্নীত করে।
• ক্ষত ও পোড়া নিরাময় করে।
• পরিপাকে উন্নতি, স্নায়বিক দুর্বলতা এবং প্রস্রাবে তন্ত্রে এর ভেষজ প্রভাব আছে।
• হাঁপানি, জ্বর, ঠাণ্ডা,কফ, ব্রংকাইটিস (শ্বাস নালীর প্রদাহ মূলক ব্যাধি) এবং গলা ব্যাথা জন্য উপকারী।
• শরীরের নব শক্তি সঞ্চার করে।
• স্বয়ংক্রিয় স্নায়ুতন্ত্রের উপর একটি ইতিবাচক প্রভাব রয়েছে।
• হৃদয় কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ এবং ধমনীতে পরিষ্কার পানি জমতে সাহায্য করে।
• কিডনি অস্বাস্থ্য (পাথর অপসারণ এবং প্রতিরোধ হিসাবে কাজ করে), গেঁটে বাতের, স্থূলতা (এটি বিপাকীয় কার্য কলাপ উন্নত), এবং অকাল বার্ধক্য গ্রস্ত প্রতিরোধের জন্য উপকারী।
• ব্যথা উপশম করা সাহায্য করে।
• শরীরের মধ্যে শক্তি সঞ্চার করে,ব্যাকটেরিয়া নিয়ন্ত্রণ করে, এবং মস্তিষ্কের স্বাভাবিক ক্রিয়াকে সক্রিয় করে।
• শরীরের যোজক কলা(tissue) থেকে বিষাক্ত আমানত অপচয় করতে সাহায্য করে।
• রক্তচাপ (উচ্চ বা নিম্ন) নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।
• বাইরের ধোয়া ও কাটা, আঁচড় ইত্তাদিতে জীবাণু মুক্ত করা যাবে।

বাঁজা কবুতর বা পাখিকে ১ মাস নিয়মিত দিলে এর বাঁজা ভাব কেটে যাবে। বা যেসকল কবুতর ডিম পাড়তে দেরি করে তাদের ক্ষেত্রে এই পদ্ধতি প্রয়োগ করা যেতে পারে।

নিয়মঃ

একটা মধ্য আকারের চুম্বক প্ল্যাস্টিক বা কাঁচের পাত্রে সারারাত ভিজিয়ে রাখুন ও সকালে খাবার পানি হিসাবে সরবরাহ করুন।

সতর্কতাঃ

) ধাতব পাত্রে চুম্বক ভিজাবেন না এতে বিক্রিয়া হবার সম্বভাবনা বেশী থাকে। যা ক্ষতির কারন হতে পারে।
) মাসে ১ বার ব্যাবহার করবেন, বেশী পরিমানে ব্যাবহার করলে পাখি উর্বর ডিম বাদ দিয়ে আবার ডিম দিয়ে ফেলবে।
) অপরিণত বয়সের পাখি বা কবুতরকে বেশী না দেয়ায় ভাল তাতে অপরিণত বয়সে ডিম দেবার ফলে নানা শারীরিক সমস্যা হতে পারে।

জলের গুণমান এবং স্বাস্থ্যগত সুবিধা উন্নতি চুম্বক ব্যবহারের এক দীর্ঘ ইতিহাস আছে। যুক্তিসম্মত উপসংহার হল চুম্বকীয় জল আমাদের কোষ প্রভাবিত এবং এটা অভিপ্রেত ঘটনা থেকে আমাদের শরীর সঞ্চালন সাহায্য করার ক্ষমতা আছে। বায়ো চুম্বকীয় জল যে উপকারী তার অনেক প্রমাণ আছে । আর এই জন্য একে “বিস্ময়জল”বলা হয়।

 

লেখকঃ Kf Sohel Rabbi  ( কবুতর বিশেষজ্ঞ )

Leave a Reply

Scroll To Top