You are here: Home / পার্থিব / ডেঙ্গুজ্বর থেকে আরোগ্য লাভ করুন এক দিনেই

ডেঙ্গুজ্বর থেকে আরোগ্য লাভ করুন এক দিনেই

এর আগের একটি পোস্টে দেখিয়েছিলাম কিভাবে মশার হাত থেকে রক্ষা পাবেন। কিন্তু যারা ওই পোস্টটি পড়ার আগেই মশার কামড় খেয়ে ফেলেছেন এবং ডেঙ্গু জ্বর বাধিয়ে ফেলেছেন তাদের জন্যই আজকের পোস্ট।

এডিস মশা

 

ডেঙ্গু জ্বর ভাইরাসজনিত জ্বর। এডিস মশার কামড়ে এই জ্বর হয়ে থাকে। সব এডিস মশার কামড়ে যে ডেঙ্গু জ্বর হয় তা না। ডেঙ্গু জ্বরের ভাইরাস বহনকারী এডিস মশার কামড়ে ডেঙ্গু জ্বর হয়। অন্য সব ভাইরাসজনিত জ্বর থেকে ডেঙ্গু জ্বরের পার্থক্য হল ডেঙ্গু জ্বর হলে প্রথম দিন থেকেই প্রচণ্ড জ্বর অনুভুত হয়। সাথে প্রচণ্ড শরীর ব্যথা, চোখের পিছনের অংশে ব্যথা, মাথাব্যথা থাকে। অনেক ক্ষেত্রে শরীরের বিভিন্ন অংশে র‍্যাশ উঠতে পারে, দাঁত মাজার সময় রক্ত পড়তে পারে।   ডেঙ্গু জ্বরের প্রকোপ মার্চ-এপ্রিল মাসে বেশি থাকে তবে এখন শীতের আগ পর্যন্ত এই রোগের ব্যপ্তি দেখা যায়।

কিভাবে প্রতিরোধ করবেন?পেঁপে গাছ

ডেঙ্গু জ্বরের চিকিৎসা অন্যান্য ভাইরাসজনিত জ্বরের মতই। তবে রক্ত পড়া শুরু করলে রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে। সম্প্রতি চিকিৎসকরা গবেষণা করে দেখেছেন যে পেঁপে পাতার জুস খেলে এক দিনের মধ্যেই ডেঙ্গু জ্বর চলে যায়। পেঁপে পাতার জুস ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্তদের জন্য সবচেয়ে ভালো ঔষধ। পেঁপে পাতার জুস শুধু ডেঙ্গু জ্বর নয় অন্যান্য ভাইরাসজনিত আক্রমনও প্রতিরোধ করে। পেঁপে পাতার ভেষজ গুনাগুন রক্তের বিভিন্ন উপাদান যেমন প্লাটিলেট এবং শ্বেত রক্ত কনিকা বৃদ্ধি এবং পুনরায় উৎপাদন করতে সাহায্য করে। অনেক ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রুগী পেঁপে পাতার জুস খেয়ে আরোগ্য লাভ করেছেন। পেঁপের গুনাগুন আমরা সবাই জানি। পেঁপেতে প্রচুর ভিটামিন এবং খনিজ উপাদান আছে যা আমাদের হজম শক্তিকে বৃদ্ধি করে। সাম্প্রতিক সময়ে বিজ্ঞানিরা পেঁপে পাতার এই আশ্চর্য ভেষজ গুনাগুন আবিষ্কার করেছেন।* ডেঙ্গু জ্বর হলে রক্তের প্লাটিলেট নষ্ট হয়,  পেঁপে পাতা রক্তের প্লাটিলেট নষ্ট হওয়া থেকে রক্তকে রক্ষা করে এবং প্লাটিলেট উৎপাদনএ সাহায্য করে। আর এর সবচেয়ে বড় সুবিধা হল এ জুস আপনি আপনার ঘরে বসেই বানাতে পারবেন।

আর যাদের এখনও মশার কামড় খেয়ে কোনও অসুখ বাধাননি তারা এই পোস্টটি দেখতে পারেন। মশা সমস্যার সহজ সমাধান

তথ্যসুত্রঃ ওয়েবসাইট

Leave a Reply

Scroll To Top